নড়াইল সদরে তেল নিতে এসে না পেয়ে ম্যানেজার ও তার সহযোগীকে ট্রাক চাপা দেয় চালক। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ম্যানেজার নাহিদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে জিহাদুল নামের একজনকে। বিস্তারিত জানাতে এই মুহূর্তে ঘটনাস্থলে আছেন সহকর্মী সজীব রহমান জাতির কাছে।নড়াইল সদরের তানভির যে ফিলিং স্টেশন আছে ফিলিং স্টেশনে। কিন্তু একটি দুর্ঘটনা যে ঘটে গেছে যে নড়াইলে যে তেল সংকটের জের।পর্যায়ক্রমে যে কয়েকদিন ধরেই আমরা দেখতে পাচ্ছি যে নড়াইলে যে তেলের যে সঙ্কট দেখা দিয়েছে এই সঙ্কটের জের ধরে। কিন্তু গতকাল রাতে অর্থাৎ আনুমানিক রাত 2:00 টার দিকে বা এক ট্রাক চালকের সাথে বাকবিতণ্ডার জেরে। কিন্তু এই যে যে তানভির ফিলিং স্টেশন ছিল এইটে।স্টেশনের কিন্তু ম্যানেজার ছিলেন। তিনি ছিলেন নাহিদ। তার সাথে 1:00 বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। বাক্ বিতণ্ডা থেকে। কিন্তু আমরা যে ট্রাক চালক ছিলেন তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে অনেকটা তাঁকে হাতে তার কোনও শেষ হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের সামনে তিনি কিন্তু হুমকি দেন যে তাকে তেল না দিলে। কিন্তু যে মেরে ফেলার যে হুমকিটা তিনি কিন্তু এখানে দিয়েছিলেন এবং আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি যে যে পাম্প ফিলিং স্টেশন করত।লক্ষ্য যারা আছেন তাদের সাথে এবং প্রত্যক্ষদর্শী যাঁরা ছিলেন তাঁদের সাথে কথা বলে যতটুকু জানতে পেরেছি যে এখান থেকে আনুমানিক রাত 12:00 টার দিকে তখন কিন্তু এই ট্রাক চালক তিনি পার্শ্ববর্তী তাতে রোলি এই পাম্পের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বসবাস এবং সে এসেছিল এবং অনেকটা জোর পূর্বক। কিন্তু এখান থেকে তেল নেওয়ার চেষ্টা করছিল তখন।যে যারা পরিচালনায় আছেন ম্যানেজার নাহিদ। তিনি জানান যে সিরিয়ালে যারা আছেন তারা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের তেল দেওয়া হবে। পরবর্তীতে 1:00 সময়ে যে অপেক্ষা করতে হবে সিরিয়াল শেষ হতে না হতেই তখন কিন্তু তেল পাম্পের যে মজুদ ছিল সেটা কিন্তু ফিরিয়ে দেয় এবং অনেকটা ক্ষিপ্ত হয়ে তখন যে পাম্পে তাঁকে অনেকটা প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়া হয় এবং রাত আনুমানিক 2:10 এর দিকে কিন্তু এখান থেকে।যখন যে পাম্পের ম্যানেজার নাহিদ এবং তার যে সহকর্মী জেহাদুল সহ এই পাম্প থেকে কিন্তু বেরিয়ে যাচ্ছিলেন, সেই সময় যে আমরা সিসিটিভি ফুটেজ থেকে যেটা দেখতে পেয়েছি যে ওই যে ট্রাক চালক ছিলেন যিনি ওই 1:00 নিয়ে তার পেছনে যান এবং কিছুটা অংশ যাওয়ার পরে কিন্তু।আমি যে বিকট 1:00 শব্দ হয় এবং এখানে থেকে পাম্পের লোকজন যারা আছেন এবং কর্তব্যরত যাঁরা ছিলেন তাঁরা কিন্তু 1:00 পর্যায়ে দেখতে পারেন যে যায়।এটা যে ম্যানেজার।তানবির এবং জেহাদুল তারা দুজন রাস্তার উপর পড়ে আছে এবং তার পাশ থেকেই ট্র্যাকটিকে। কিন্তু ঐ যে ট্রাকটি ট্রাক চালকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছিল সেই এক চালক কিন্তু 1:00 নিয়ে পালিয়ে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে আনা হয়। জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে তখন কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান যে ম্যানেজার নাহিদ কিন্তু।আমরা অনেক আগেই মৃত্যুবরণ করেছেন এবং তার সহকর্মী জেহাদুল ছিলেন সেরা দল। কিন্তু জেতার 1:00 পা অর্থাৎ দুই পায়ে কিন্তু বিচ্ছিন্ন অনেকটা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং তাঁকে কিন্তু তাৎক্ষণিক ভাবে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। এই অবস্থায় কিন্তু রাত থেকেই 1:00 থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এতই।নড়াইলে তেল সঙ্কট তেলের চাহিদা সেই চাহিদা অনুপাতে। কিন্তু এখানে পাম্প যে কর্তৃপক্ষ আছে তারা কিন্তু।সে চাহিদা পূরণ করতে অনেকটা ব্যর্থ হচ্ছে বলে চলে এবং আমরা যতটুকু কথা বলেছি যে এই যা পাম্প ফিলিং স্টেশন মালিক কর্তৃপক্ষ আছে তাদের সাথে কথা বলে আমরা জানতে পেরেছি যে চাহিদার তুলনায় তা ডিপো থেকে তেল কম পাচ্ছে। আর এই কারণে মূলত প্রতিনিয়ত কিন্তু নড়াইলের যে ফিলিং স্টেশনগুলো আছে সেখানে কিন্তু যে বাকবিতণ্ডা থেকে শুরু করে মারামারি পর্যন্ত ঘটছে এবং সব।শেষ যে ঘটনাটি একটি মর্মান্তিক ঘটনা যে যিনি একজন যে পাম্পের যিনি ম্যানেজার ব্যবস্থাপক, তিনি কিন্তু এমন নির্মম ভাবে প্রাণ দিলেন এই তেল নিয়ে বাকবিতণ্ডার ঘটনা যে আরে এখানে সর্বশেষ আমরা যতটুকু কথা বলে জানতে পেরেছি৷ এখনও পর্যন্ত কিন্তু সেই ট্রাক চালক এবং ট্রাক দুটোর কোনওটাই কিন্তু পুলিশ এখনও পর্যন্ত আটক।করতে পারেননি এবং যারা আছে এখানে অনেকটা উৎকণ্ঠায় আছে যে পাম্পগুলো আসলে কিভাবে পরিচালনা করবেন এবং এটা এই তেলের সংকটের পাশাপাশি যে আসলে এই অঞ্চলের মানুষের যে চাহিদা সেই চাহিদার যোগান তারা কীভাবে দিবে নেই এই নিয়ে 1:00 চাপা ক্ষোভ কাজ করছে এবং রাত থেকেই অর্থাৎ ভোররাত থেকেই। কিন্তু এই।এই ঘটনা নিয়ে সবার মধ্যে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়েছে এবং আমি যতটা আমরা যতটুকু কথা বলে জানতে পেরেছি যে এই নাহিদ তিনি দীর্ঘদিন ধরেই যিনি মালিক আছেন যে সর্দার ফিলিং স্টেশন ও তানভীর এবং সরকার নড়াইল 20 এবং স্টেশন কিন্তু পরিচালনা তিনিই করতেন এবং তিনি যে মালিক যিনি আছেন রবিউল ইসলাম তাঁর কিন্তু আপন ভাতিজা।এবং হ্যাঁ যে টানবে অর্থাৎ নাহিদের যে মৃত্যু এই মৃত্যুকে কোনও ভাবেই আসলে এখানে যাঁরা আছেন।স্থানীয় এবং পাম্প মালিক, ব্যবসায়ী সহ স্থানীয়রা তাঁরা কিন্তু কোনওভাবেই মেনে নিতে পারছেন না যে সদা মিষ্টভাষী 1:00 যুবক।অকালে এভাবে আসলে যে প্রাণ দিলেন এটা কোনও ভাবেই কাম্য না। তা আসলে তেলের সঙ্কট। আমরা যতটুকু আমরা কথা বলে জানতে পেরেছি। প্রতিদিন যে পরিমাণ তেল যে ডিপো থেকে তারা উত্তোলন করছে, এতে তেল কিন্তু যথেষ্ট। কিন্তু আসলে কৃত্রিম সংকট টা গ্রাহক পর্যায়ে সৃষ্টি হচ্ছে।হ্যাঁ, গ্রাহক পর্যায়ে সৃষ্টি হচ্ছে। আর তেলের এই যে সংকট আছে, এই ঘটনাটা তেলে পাম্পের ম্যানেজার হত্যাকাণ্ডের ঘটনা এই ছিল আমার কাছে সর্বশেষ।নড়াইল থেকে সরাসরি যুক্ত হয়েছিলেন সহকর্মী সজীব রহমান।
.jpg)
Comments