সাম্প্রতিক সমর বিশ্লেষণ বলছে ইরানের দুর্ভেদ্য পাহাড়ি ভূখণ্ডে মার্কিন পদাতিক বাহিনীর এক বিশাল স্থল অভিযানের ছক কষছে পেন্টাগন। কিন্তু প্রশ্ন হলো দশ লক্ষ সৈন্য আর চার হাজার ট্যাংকের পাহারা টপকে তেহরান দখল কি আদৌ সম্ভব? নাকি এটি হবে একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাত? যুদ্ধের রণকৌশল যখন আলোচনার টেবিল থেকে সরাসরি রণক্ষেত্রে গড়ায় তখন পরিস্থিতি হয় ভয়াবহ। পেন্টাগনের সমরবিদরা এখন নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন একটি সম্ভাব্য স্থল অভিযানের ব্লুপ্রিন্ট নিয়ে। শাহেদ ড্রোনের ঝাঁক, ব্যালিস্টিক মিসাইলের গর্জন আর সমুদ্রের নিচে লুকিয়ে থাকা মাইন সবকিছু মাথায় রেখেই সাজানো হচ্ছে এই হাই রিস্ক মিশন। লক্ষ্য একটাই ইরানের সামরিক শক্তিকে গুঁড়িয়ে দেয়া। ইরান মানেই ইরাকের মতো ধু ধু সমতল মরুভূমি নয়। এখানে প্রতি পদে আছে বিশালাকার পাহাড় আর দুর্গম গিরিপথ। বিশ্লেষকরা বলছেন, মার্কিন ট্যাংক বাহিনীকে সম্ভবত তুরস্কের সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। কিন্তু সেই পাহাড়ি পথে পা বাড়ানো মানেই হলো মৃত্যুকে আমন্ত্রণ জানানো। কারণ এই ভূখণ্ড ইরানিদের হাতের তালুর মতো চেনা। প্রতিটি বাঁকে ওত পেতে থ...